দুবাইয়ে শর্তসাপেক্ষ জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ৩০ জুলাই তিনি মুক্তি পান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়ার কথা জানায়নি।
এর আগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের মামলার ভিত্তিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। দুবাই পুলিশ ও আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা (ইন্টারপোল)-এর সহযোগিতায় এ গ্রেপ্তার কার্যকর হয়। গত ১২ জুন দুবাই পুলিশ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে পাঠানো এক চিঠিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানায়।
বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগের তদন্ত করছে দুদক। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইনি সহায়তা চেয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ।
পরবর্তীতে তাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণের লক্ষ্যে সরকার প্রয়োজনীয় নথিপত্র ও আইনি কাগজপত্র দুবাইয়ের আদালতে পাঠায়। আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বেনজীর আহমেদকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়।
জামিনের শর্ত অনুযায়ী, তার পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে। আদালতের অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না। ফলে আপাতত দেশটিতেই অবস্থান করতে হবে তাকে।
বাংলাদেশে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া এখনও অব্যাহত রয়েছে। তার প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত পরবর্তী সিদ্ধান্ত দুবাইয়ের আদালতের আইনি প্রক্রিয়া এবং দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের ওপর নির্ভর করবে। বর্তমানে এ বিষয়ে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তর বা দুদকের পক্ষ থেকে নতুন কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।