আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সম্প্রতি জানিয়েছেন, সদ্য পদত্যাগ করা রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে যদি কোনও মামলা হয়, তা যথাযথ যাচাই-বাছাই করা হবে। তিনি বলেন, “এর আগে তার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ ছিল, সেগুলোও খতিয়ে দেখা হবে।”
আইনমন্ত্রী আরও বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর সংবিধান অনুযায়ী তাঁকে আইনি সুরক্ষা প্রদান করা হয়। রাষ্ট্রপতির পদে থাকা অবস্থায় তিনি যে দায়িত্ব পালন করেছেন, তার সঙ্গে যুক্ত অভিযোগগুলি প্রাসঙ্গিক সময় এবং প্রক্রিয়া অনুসারে যাচাই করা হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা যাচাই করব, অভিযোগকারীদের উদ্দেশ্য কী ছিল সৎ উদ্দেশ্য নাকি অসৎ।”
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও উল্লেখ করেন, এ মুহূর্তে এই ধরনের মামলা নিয়ে তাড়াহুড়া করা উচিত নয়। “এই প্রশ্নটি এখন কেন করছেন, আগে করলে ভালো হতো,” এমন মন্তব্যও করেন তিনি।
আইনমন্ত্রী ব্যাখ্যা করেন, পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দায়বদ্ধতা নিয়ে সংবিধানে যে বিধান রয়েছে, তা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সেক্ষেত্রে মামলা বা অভিযোগের প্রক্রিয়া সঠিকভাবে অনুসরণ করা হবে এবং রাষ্ট্রপতির প্রতি সংবিধানগত সুরক্ষা কার্যকর থাকবে।
এছাড়া, বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোনও নতুন অভিযোগে সংবিধান ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল ও জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। আইনমন্ত্রী এই বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন যে, কোনও ধরনের মামলা বা অভিযোগের ক্ষেত্রে সঠিক প্রমাণ ও আইনগত ধাপই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে।
মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে মামলা শুরু হলে আমরা দেখব, এটি যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় হচ্ছে কি না। সকল পক্ষের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”
এভাবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের পর আইনমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, মামলা বা অভিযোগ থাকলেও তা প্রক্রিয়ার মধ্যে বৈধভাবে যাচাই করা হবে এবং সংবিধান অনুযায়ী পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির আইনি সুরক্ষা বজায় থাকবে।