যশোরে হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলার আসামি শরিফুল ইসলাম ওরফে জিতুকে (৩৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
নিহত শরিফুল ইসলাম যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়া এলাকার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বুধবার (২২ জুলাই) রাতে শহরের বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে তাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শরিফুলকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়া (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক, চাঁদাবাজি ও মারামারিসহ ১১টি মামলা রয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি দা উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মিরাজুল ইসলাম জানান, নিহত শরিফুলের বিরুদ্ধে হত্যা, মাদক ও চাঁদাবাজিসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে মাদকসংক্রান্ত বিরোধের জেরে হত্যাকাণ্ডের তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ১১টার দিকে বারান্দীপাড়া ফুলতলা মোড়ে দুর্বৃত্তরা শরিফুলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে।
যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কাজী মাসুম রেজা জানান, শরিফুলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল। তবে পথে তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর পুলিশ হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।