নিজস্ব প্রতিবেদক
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির বাস্তবায়ন কার্যক্রম ছয় মাস অন্তর পর্যালোচনা করা হবে। আর সুবিধাভোগীদের তালিকা হালনাগাদ করা হবে প্রতি চার বছর পর। সোমবার ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির চতুর্থ সভা শেষে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসূচির অর্থ কে কোথায় কীভাবে ব্যয় করছে, তা ছয় মাস পর পর পর্যালোচনা করা হবে। প্রতি চার বছর পর তালিকা হালনাগাদ করা হবে এবং সচ্ছল ব্যক্তিদের বাদ দেওয়া হবে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির প্রশাসনিক ব্যয় পর্যালোচনা ও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন সংশোধিত গাইডলাইন ২০২৬ চূড়ান্তকরণ এবং ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা ২০২৬-এর খসড়া পর্যালোচনা করে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সরকার গঠনের পর গত ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়। নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়নাধীন এই কর্মসূচির আওতায় সুবিধাভোগী নারীরা প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা পাচ্ছেন। এ কর্মসূচির জন্য বাজেটে ১৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, সমাজের কোনও নাগরিককে বাদ রেখে বাজেট করা হয়নি। প্রত্যেককে মাথায় রেখেই বাজেট হয়েছে। এটিকে সরকার অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন হিসেবে দেখছে। তার মতে, অর্থনীতির সুফল শুধু একটি গোষ্ঠীর কাছে সীমাবদ্ধ রাখা গণতান্ত্রিক অর্থনীতির জন্য কাম্য নয়।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দরিদ্র কোনও ব্যক্তির স্ত্রী মারা গেলে তিনি কৃষক কার্ড, ইউনিভার্সাল হেলথ কেয়ার বা বয়স্ক ভাতাসহ অন্যান্য সুবিধা পেতে পারেন।
তবে শুধু কার্ডনির্ভরতা নয়, কর্মক্ষম ও দক্ষ জাতি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সবাইকে দক্ষতা অর্জন করতে হবে এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে আয় করতে হবে। এটাই অর্থনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার মূল পথ।