নিজস্ব প্রতিবেদক
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের বাজেট সহায়তা ঋণের ১ বিলিয়ন ডলার যোগ হওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। রবিবার দিন শেষে বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ০৭ বিলিয়ন ডলারে। আর গ্রস হিসাবে রিজার্ভ বেড়ে হয়েছে ৩৫ দশমিক ৬২ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন এবং ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কেনার কারণে রিজার্ভ আগেই সন্তোষজনক অবস্থানে ছিল। এডিবির ঋণ যোগ হওয়ায় তা আরও বেড়েছে। তার মতে, রিজার্ভ নিয়ে এখন আর উদ্বেগের কারণ নেই।
এডিবি ঢাকা অফিস জানিয়েছে, দুটি প্রকল্পের আওতায় ১ বিলিয়ন ডলার ঋণের অর্থ ছাড় করা হয়েছে। এর একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি এবং অন্যটি আর্থিক খাত সংস্কার–সংক্রান্ত প্রকল্পের আওতায়।
গত ১১ জুন বিপিএম-৬ হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩০ দশমিক ০৫ বিলিয়ন ডলার। গ্রস হিসাবে ছিল ৩৪ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। এর আগে আকুর আমদানি বিল পরিশোধের পর রিজার্ভ কিছুটা কমে গিয়েছিল।
রেমিট্যান্স প্রবাহ রিজার্ভ বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে। গত মে মাসে দেশে ৩ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি। চলতি জুনের প্রথম ১৩ দিনেই এসেছে ১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জুনে এখন পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। বিদায়ী অর্থবছরে মোট কেনা হয়েছে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার।
বর্তমান ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ দিয়ে প্রায় সাড়ে চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ থাকাকে নিরাপদ ধরা হয়।