চট্টগ্রাম-২ আসনে নির্বাচিত বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে আদালত এ রায় দেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করেছেন।
এর আগে গত ২ জুলাই রুলের ওপর শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ৯ জুলাই দিন ধার্য করেছিলেন।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম ও ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শিশির মনির ও আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।
সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা নিয়ে জটিলতার সূত্রপাত হয় ঋণখেলাপির অভিযোগে। রিটার্নিং কর্মকর্তা তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করার পর জামায়াতের প্রার্থী মো. নুরুল আমিন এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেন।
পরে ১৮ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল করে। এর বিরুদ্ধে তিনি হাইকোর্টে রিট করলে ২৭ জানুয়ারি আদালত নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন এবং তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেন।
পরে বিষয়টি আপিল বিভাগে গড়ালে নুরুল আমিন লিভ টু আপিল করেন। আপিল বিভাগ তা মঞ্জুর করে জানায়, আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনের ফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে।
১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সারোয়ার আলমগীর বিজয়ী হলেও আদালতের নির্দেশনার কারণে তার ফল প্রকাশ করা হয়নি।
পরবর্তীতে নুরুল আমিনের করা আপিলের শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আপিল বিভাগ বিষয়টি নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টকে দ্রুত রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। সেই ধারাবাহিকতায় আজ হাইকোর্ট সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন।