সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার কথা জানিয়েছেন, যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মনোযোগ centred হয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল মঙ্গলবার সাংবাদিকদের জানান, এই বিষয়ে ভারতের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তিনি বলেন, “যে কোনো প্রত্যার্পণ একটি আইনি বিষয় এবং শেখ হাসিনাকে প্রত্যার্পণও আইনানুগভাবে পরিচালিত হবে।”
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশে থেকে পালিয়ে ভারতে গিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অবস্থান করছেন। সম্প্রতি রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, পলাতক অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে দেশে এসে তিনি আত্মসমর্পণ করবেন। গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনকারীদের দমন করতে মারণাস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়ায় মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
তার দেশে প্রত্যাবর্তনের খবর নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ২০২৪ সালের ১১ জুলাই চীনের সফর সংক্ষিপ্ত করার পর দেশে ফেরেন তিনি। সেই সময় দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো কোটা সংস্কার আন্দোলনে উত্তাল ছিল। ১৪ জুলাই প্রকাশিত হাইকোর্টের রায়ে সরকারি চাকরিতে কোটা বহালের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। তখন শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে কোটা আন্দোলনকারীদেরকে পরোক্ষভাবে ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। এই মন্তব্য পরবর্তীতে গণ-আন্দোলনের উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়।
সংশ্লিষ্ট পটভূমি:
- ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান: শেখ হাসিনার ১৫ বছরের স্বৈরশাসনের অবসান।
- দেশের পলিটিক্যাল পরিস্থিতি: বিরোধী আন্দোলন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রসঙ্গ।
- ভারতের প্রতিক্রিয়া: পুরো বিষয়টি আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায়।
বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা লক্ষ্য করছেন, দেশের রাজনৈতিক পুনর্গঠন এবং বৈদেশিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন কীভাবে বাস্তবায়িত হবে।