প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, কেউ যথাযথ পারফর্ম করতে না পারলে মন্ত্রিসভা বা উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তন আনা হবে। এটি সরকারের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং সরকারের মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ সাধন।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী একটি মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেছেন। যদি দেখা যায় কোনো ব্যক্তি দায়িত্বে যথাযথভাবে পারফর্ম করছেন না, তবে পুনর্গঠন বা দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” তবে তিনি উল্লেখ করেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়সীমা বা মানদণ্ড এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
তথ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, পারফরম্যান্স মূল্যায়নের ভিত্তিতে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বা মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হবে। সরকারের কার্যক্রমের মধ্যে সমালোচনা গ্রহণযোগ্য হলেও আইন লঙ্ঘন করে কোনো কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।
সাইবার বুলিং নিয়েও তিনি সতর্ক করে জানান, দেশে ভুল তথ্য, অপতথ্য ও ফেক ভিডিও ছড়িয়ে বহু নিরপরাধ ও সম্মানিত মানুষকে হেয় করা হচ্ছে। এই সমস্যা প্রতিরোধ করতে সরকার আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞদের একটি প্যানেল গঠন করেছে।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, “স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দক্ষতার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারের কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করা যেতে পারে, কিন্তু আইন লঙ্ঘনের মাধ্যমে কোনো কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়।”
ব্রিফিংয়ে তিনি সরকারের লক্ষ্য স্পষ্ট করে বলেন, জনগণের কল্যাণ এবং দেশ ও সমাজের জন্য সঠিক নীতি ও কার্যক্রম বাস্তবায়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পারফরম্যান্স অনুযায়ী মন্ত্রিসভা বা উপদেষ্টা পরিষদে পরিবর্তনের বিষয়টি সময়মতো সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।
এই ঘোষণা প্রমাণ করে, বর্তমান সরকার ফলাফলমুখী এবং দায়িত্বে অনিয়ম বা অকার্যকারিতা মেনে নিতে প্রস্তুত নয়। সরকারের সব পদে পারফর্মেন্স মূল্যায়নের মাধ্যমে পরিবর্তন আনার প্রক্রিয়া জনগণের আস্থা ও সরকারের স্বচ্ছতার প্রতিফলন হিসেবে ধরা হচ্ছে।